Constipation(child)

Protocols

Constipation:

কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের লক্ষণ:

  • মাঝেমধ্যে পেটে ব্যথা হয়
  • পেট শক্ত হয়ে থাকা বা পেট ফুলে থাকা।
  •  পেটের ওপর হাত দিলে শক্ত মলগুলো অনুভূত হওয়া
  • মলদ্বার আর্দ্র থাকবে এবং স্পিংটার খোলা থাকবে।
  •  ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়া
  •  শিশু খেতে না চাওয়া
  •  খাওয়া-দাওয়ায় অনীহা
  • বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
  • ওজন কমে যাওয়া


Rx:


0-6 months :

supp.glysup(1.15gm)

  • 1 strick P/R stat & sos

6 month - 2 years: 

1. suppo.glysup(1.15gm)

  • 2 stick P/R stat & sos

2. syrp.Avolac(Lactolose)

  • 1tsf * BD

OR

Ezylife(sodium picosulfate)

  • 1 TSF at night time

2-5 years:

Syp.Avolac 

  • 1.5 TSF ....... BD

OR

Ezylife(sodium picosulfate)

  • 1.5  TSF at night time

🔕পায়খানা বেশি কষা হলে 

Supp.Glysup(2.3 gm)

  • 2 stick P/R stat & sos


5-12 years: 

Syp.Avolac 

  • 2- 3 TSF...... BD

OR

Ezylife(sodium picosulfate)

  • 2 TSF at night time


🔕পায়খানা বেশি কষা হলে 

Suppo.glysup(2.3 gm)

  • 3-4 stick stat &sos


(উপরের সকল ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানা হলে ঔষধ বন্ধ করতে হবে) 

Other suppliments may be helpful:

Syp.Motigul (Domperdone)(5mg/5ml)

  • 1-2 year: 1 TSF .........BD
  • 2-5 year: 1.5 TSF .......BD 
  • 5-10 year: 2 TSF ..........BD

Syp.Aristoplex(B complex)

  • 1-2 year: 1 TSF .........BD
  • 2-5 year: 1.5 TSF .......BD 
  • 5-10 year: 2 TSF ..........BD


শিশুর কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রোধে করনীয়:


  • আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া:শিশুদের খাদ্যতালিকায় আঁশ জাতীয় খাবার রাখুন।আঁশ হলো খাবারের সেই অংশ, যা পরিপাক হয় না এবং খাদ্য গ্রহণের পর অবশেষ হিসেবে জমা হয়ে মল তৈরি করে। খাদ্যের আঁশ অংশটুকু হজম না হওয়ার কারণে এগুলো পরিপাকতন্ত্রের বেশ কিছু জলীয় অংশ শোষণ করে ধরে রাখে এবং এই জলীয় অংশসহ এগুলো মলের সাথে বের হয়ে আসে। এতে মল নরম হয়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ হয়। শাক-কচুশাক, মিষ্টি আলুর শাক, কলমিশাক, পুদিনা পাতা, পুঁইশাক, মুলাশাক, ডাঁটাশাক, লাউয়ের ও মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদিতে প্রচুর আঁশ রয়েছে।


  • বেশি পরিমানে পানি পান খাবার হজমে সহায়তা করে। বেশি পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয় এবং শরীর নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই। প্রতিদিন শিশুকে বেশি করে পানি খাওয়াতে হবে।শিশু পানি খেতে না চাইলে শরবত, তাজা ফলের জুস বা স্যুপ খাওয়ানো যেতে পারে।


  •  শিশুর মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তোলা:শিশুকে মলত্যাগ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে বকাঝকা না করে প্রতিদিন মলত্যাগের জন্য পুরস্কারের মাধ্যমে তাকে উৎসাহিত করা যেতে পারে। অনেক বাচ্চাই মলত্যাগ করার সময় একটু প্রাইভেসি পছন্দ করে। টয়লেট ব্যবহার করতে শেখেনি এমন বাচ্চাকে ঘরের এক কর্নারে পটিতে বসিয়ে দিন যাতে সে প্রাইভেসি ফিল করে।


  • শিশুর পছন্দের বাথরুমের ব্যবস্থা করা:অনেক শিশুই তার নির্দিষ্ট পছন্দের বাথরুম ছাড়া অন্য কোথাও বাথরুম করতে বা যেতে পছন্দ করে না। শিশুকে তার পছন্দের বাথরুম ব্যবহার করতে দিন।


  •  ফাস্ট ফুড বা মাংস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা:অনেক শিশুরই ফাস্ট ফুড এবং মাংস জাতীয় খাবার খুবই প্রিয়।কোষ্ঠকাঠিন্য রোধের জন্য শিশুকে এজাতীয় খাবার কম দেয়া উচিত। এ বিষয়ে মা-বাবাকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।


  •  দুধের উপর নির্ভশীলতা কমিয়ে আনা:অনেক শিশুই দুধ খেতে পছন্দ করে।অনেক শিশুকেই দুধ থাওয়ার কারনে দেখা যায় অন্য খাবার খেতে চায় না, বিশেষ করে আঁশ জাতীয় খাবার। এক বছরের বেশী বয়সের শিশুকে দৈনিক আধা লিটার (১৬ আউন্স) থেকে পৌনে এক লিটার (২৪ আউন্স) এর বেশি দুধ খেতে দেয়া ঠিক না।কারণ দুধে এতো পুষ্টিগুন থাকে যার কারনে বেশি দুধ খেলে শিশু অন্য কোন খাবার খেতে চায় না। ফলে শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। এজন্য শিশুকে পরিমিত পরিমাণ দুধের সাথে অন্য খাবার বিশেষ করে আশঁ জাতীয় খাবার খাওয়াতে উৎসাহিত করতে হবে।