Hook Worm

Protocols

Hook worm:

  • [Note: ১ বছরের আগে বাচ্চাদের কখনো কৃমির সংক্রমণ হওয়ার কথা না। তাই ১ বছরের আগে কোন কৃমির ওষুধ দেওয়া লাগে না। তবে কোন বিশেষ কারনে যদি দিতেই হয় তাহলে Syrp.Melphin দেওয়া যাবে। 

Rx:

Syrp.Almex(Albedazole)(200mg/5ml )

Dose: 1st day & repeat after 7th day

  • 1-3 year = 1 TSF 
  • > 3 year = 2 TSF 

OR 

Syrp.Melphin (Pyrantel pamoate)(50mg/ml)

  • Dose: 11mg/kg/dose...1st day & repeat after 7th day

OR

Syrp. Solas (Mebendazole) (100mg/5ml)

  • 1-3 year = 1/2  TSF ...2 times for 3 days (পরপর তিন দিন। )
  • > 3 year = 1 TSF ...2 times for 3 days (পরপর তিন দিন। )

OR

Syrp.Etrax(Levimasole)(40mg/5ml)

  • 1-3 year = 1/2  TSF ...2 times for 3 days (পরপর তিন দিন। )
  • > 3 year = 1 TSF ...2 times for 3 days (পরপর তিন দিন। )


For Better Result:ঔষধ খাওয়ানোর আগের দিন 

Syp.Adryl(Diphenhydramine)  (10mg/5 ml) 

  • 6-8 kg = ½ TSF
  • 8-11 Kg = 1 TSF
  • >11Kg = 1-1 ½ TSF .........5-7 days 

Special note:✅

  • 4 মাস পর পর কৃমির ঔষধ দিবো। 
  • প্রতি বার আলাদা আলাদা কৃমির ঔষধ দিবো। 
  • বাড়ির সককেই কৃমির ওষুধ দিতে হবে। 

শিশুকে কৃমি থেকে রক্ষার উপায়ঃ 

  • সব সময় পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকতে হবে।
  • জন্মের পর প্রথম ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানো । এ সময়ে অন্য কোন খাবার বা পানীয়ের প্রয়োজন নেই।
  • ৬ মাস বয়স হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিবারের অন্য খাবারাদি স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করে শিশুদের খেতে দেয়া।
  • খাবার তৈরির পূর্বে এবং খাবার দেয়ার পরে ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
  • খাবার ভাল করে সিদ্ধ করে পরিষ্কার পাত্রে রাখতে হবে।
  • সব সময় কাচা ফলমূল খাওয়ার আগে তা পরিষ্কার করে খাওয়া শিক্ষাতে হবে।
  • পরিষ্কার ও নিরাপদ জল ব্যবহার খাবার ধোয়া, মোছা, রান্না ইত্যাদি কাজে ব্যবহার ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে কখনওই দূষিত জল ব্যবহার করা যাবে না।
  • পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে মল ত্যাগের পর, খাবার তৈরি ও পরিবেশনের আগে ও খাবার গ্রহণের আগে ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
  • সেনিটারি ল্যাট্রিনের ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পয়ঃনিষ্কাশন পদ্ধতি গড়ে তুলতে হবে।
  • নিয়মিত পায়খানা ব্যাবহারের পর হাত পা পরিষ্কার করেনিতে হবে।
  • খালিপায়ে হাঁটার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।
  • ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।